August 11, 2020, 11:02 pm

News Headline :
ইএমআইএস কর্মকর্তাদের অদক্ষতা: ভুল এমপিও শিট আপলোড, হবিগঞ্জে ইনডেক্সবিহীন কর্মচারী ষাটোর্ধ ২ ব্যক্তিকেও এমপিওভুক্ত ডিএসইতে লেনদেনের সময় আধা ঘন্টা বাড়ল হবিগঞ্জে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অধ্যক্ষ ফারুকের দায়ের করা অভিযোগের লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান পুঁজিবাজারে আসতে বিনিয়োগকারীদে নিরুৎসাহিত হওয়ার আশঙ্কা পুঁজিবাজার উপকৃত হবে না বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারী জালিয়াতি করে অধ্যক্ষের এমপিওভুক্তি, জড়িতদের তলব জালিয়াতি করে ২৩ বছর শিক্ষকতা, এমপিও বন্ধসহ সরকারি কোষাগারে বেতন ফেরতের নির্দেশ, মাদ্রাসা শিক্ষায় জাল-জালিয়াতি সবচেয়ে বেশী!! হবিগঞ্জে সদ্য এমপিও ভুক্ত মাদ্রাসায় কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ নাটের গুরু হবিগঞ্জ দারুছুন্নাত কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফারুক মিয়া শ্রীমঙ্গলে চা শ্রমিকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার নগদ অর্থ বিতরণ রবিবার থেকে চালু হচ্ছে শেয়ারবাজারের লেনদেন বায়তুল মোকাররমে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত
হবিগঞ্জে সদ্য এমপিও ভুক্ত মাদ্রাসায় কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ নাটের গুরু হবিগঞ্জ দারুছুন্নাত কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফারুক মিয়া

হবিগঞ্জে সদ্য এমপিও ভুক্ত মাদ্রাসায় কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ নাটের গুরু হবিগঞ্জ দারুছুন্নাত কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফারুক মিয়া

স্টাফ রিপোর্টার ঃ হবিগঞ্জে নতুন এমপিওভুক্ত হওয়া প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে জাল-জালিয়াতি কাগজপত্র তৈরী করে রিচি মোহাম্মদীয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা ছাড়া অন্যান্য মাদ্রাসায় চলছে রমরমা শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য। চুনারুঘাটের হাজী জোবায়দা ও হবিগঞ্জ সদরের চানপুর দাখিল মাদ্রাসার অনিয়ম ও দুর্নীতি আলোচনার শীর্ষে রয়েছে। হাইস্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ হবিগঞ্জের ৪৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি কলেজ, ৩৪টি হাইস্কুল ও ৮টি মাদ্রাসা রয়েছে। তন্মধ্যে হবিগঞ্জ সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জে ১২টি হাইস্কুল ও ৫টি মাদ্রাসা, বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জে ২টি কলেজ, ৯টি হাইস্কুল ও ১টি মাদ্রাসা, নবীগঞ্জ-বাহুবলে ১টি কলেজ, ৭টি হাইস্কুল ও ১টি মাদ্রাসা এবং চুনারুঘাট-মাধবপুরে ৬টি হাইস্কুল ও ১টি মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হয়েছে। গত বছরের ২৩ অক্টোবর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন। এর মধ্য দিয়েবহু শিক্ষক-কর্মচারীর(৩এর পাতায়) দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হওয়ার(৩এর পাতায়) কথা থাকলেও নিয়োগ বাণিজ্যের সিন্ডিকেটের কারণে প্রতিষ্ঠাকালীন অনেক যোগ্য শিক্ষক যেমন বাদ পড়তে যাচ্ছেন তেমনি টাকার জোরে কিছু অযোগ্য লোক উড়ে এসে জোরে বসার চেস্টায় আছেন। শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের নীতিমালা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইনডেক্সধারী অথবা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই একমাত্র শিক্ষক পদে নিয়োগ পেতে পারেন। শিক্ষক নিয়োগে এই নীতিমালা চালুর পর অযোগ্য লোকরা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় ই আটকে যাচ্ছেন। ফলে স্বজনপ্রীতি বা নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে অযোগ্য লোককে শিক্ষক নিয়োগের কোনো সুযোগ নেই। এদিকে হবিগঞ্জে নতুন এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠান গুলোকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জ সদর মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ জিয়া উদ্দিন, চুনারুঘাট মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সামছুল হক, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুল্লাহ, চানপুর দারুছুন্নাতের সুপার মওরানা মনির হোসেন ও হবিগঞ্জ দারুছুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফারুক মিয়ার নেতৃত্বে শক্তিশালী একটি নিয়োগ বাণিজ্যের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। ওই সিন্ডিকেট ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, কমিটির সদস্য, ও সরকারি প্রতিনিধির সীল স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া নিয়োগ কমিটি দেখিয়ে নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার অকৃতকার্য অযোগ্য লোকদেরকে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান গুলোতে ১৫ বছর আগে ২০০৫ সালের মধ্যে নিয়োগ দেখিয়ে এমপিওভুক্ত করার চেস্টা তদবির করে যাচ্ছেন। এমনকি অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত সহকারী শিক্ষক বা সহকারী মৌলভী নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ২০০৫ সালে ১৫ বছর আগে নিয়োগ দেখিয়ে প্রধান শিক্ষক এবং সুপারের পদ ভাগিয়ে নিচ্ছেন। অথচ সুপার বা প্রধান শিক্ষক হতে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে ন্যুনতম ৩ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে ১৫ বছর আগে নিয়োগ দেখানোর কারণে কোনো প্রকার অভিজ্ঞতা ছাড়াই অযোগ্য লোকরা সরাসরি প্রধান শিক্ষক বা সুপার পদে এমপিওভুক্ত হতে যাচ্ছেন। সদ্য এমপিওভুক্ত হওয়া যেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে তন্মধ্যে চুনারুঘাট উপজেলার মাধবপুর গ্রামে ২০০০ সালে প্রতিষ্টিত হাজী জোবায়দা দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ দূর্নীতির শীর্ষে রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানে পুরাতন প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষকদেরকে বাদ দিয়ে সুপারের পদ থেকে শুরু করে প্রতিটি শিক্ষক পদেই মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার অকৃতকার্য অযোগ্য লোকদেরকে এমপিওভুক্ত করার জন্য মহা পরিচালক বরাবর উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে একেকবার একেক সুপার /ভারপ্রাপ্ত সুপারের স্বাক্ষরে একাধিক তালিকা (স্ট্যাম্পিং প্যাটার্ন) পাঠানো হয়েছে। এক স্ট্যাম্পিং প্যাটার্ন এর সাথে অন্য স্ট্যাম্পিং প্যাটার্নের কোনো মিল নেই। তাদের প্রেরিত ভুয়া স্টাফ প্যাটার্ন, ভুয়া রেজুলেশন, ভুয়া নিয়োগ বোর্ডের ফলাফল শীটসহ নাটের গুরু ফারুক মিয়ার তৈরি বেশকিছু জাল জালিয়াতির ডকুমেন্টস এ প্রতিনিধির হাতে রয়েছে। শিক্ষক কর্মচারীর এমপিওভুক্তির আবেদনে প্রেরিত কাগজপত্রে দেখা যায়, সব শিক্ষক কর্মচারীর একটি মাত্র রেজুলেশন তৈরি করা হয়েছে যা হবিগঞ্জ দারুছুন্নাহ কামিল মাদ্রাসার প্রেন্সিপাল ফারুক মিয়ার হাতের লেখা। নির্বাচনী পরীক্ষার ফলাফল শীটে ভুয়া নিয়োগ কমিটির প্রতিনিধি হিসেবে যাদের সীল স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে তাদের সাথে যোগাযোগ করলে এসব স্বাক্ষর তাদের নয় বলে এ প্রতিনিধিকে জানান এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন। প্রেরিত স্টাফ প্যাটার্নে যেসব শিক্ষক কর্মচারী দেখানো হয়েছে জাতীয় পরিচয় পত্রে দেখা যায়। সিরাজগঞ্জ, চাঁদপুর সহ বেশ কয়েকজন বহিরাগত। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বহিরাগত যেসব শিক্ষক কর্মচারীকে প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক দেখানো হয়েছে তাদেরকে এএলাকাবাসী চিনবে দূরের কথা ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরাই কখনো দেখেনি। এমপিওভুক্তির এখানেই অনিয়ম ও দূর্নীতির বিষয়টি স্পষ্ট প্রমাণিত। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হাজী জোবায়দা দাখিল মাদ্রাসার চলতি বছরের এপ্রিলের ১ তারিখেসহ সুপার ও ভারপ্রাপ্ত সুপার ওবায়দুল ইসলাম স্বাক্ষরিত কর্মরত মোট ৮ জন শিক্ষক কর্মচারীর যোগদানের তারিখ সহ শিক্ষা অধিদপ্তরে তালিকা পাঠানো হয়েছে। গত মাসের ৩ তারিখে সহ সুপার ও ভারপ্রাপ্ত সুপার ওবায়দুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই কর্মরত ৮ জনের এমপিওভুক্তির আবেদন জানিয়ে মহা পরিচালক বরাবর উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত সুপার ওবায়দুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ৮ জনের তালিকা থেকে ৪ জন কর্মচারী ইতিমধ্যে এমপিওভুক্ত হয়েছেন। এদিকে সম্প্রতি মহাপরিচালক বরাবর আরেকটি স্ট্যাম্পিং প্যাটার্ন পাঠানো হয়েছে যেখানে তোফাজ্জল হক আনসারী নামের এক ব্যক্তিকে সুপার দেখানো হয়েছে। সুপার তোফাজ্জল হক আনসারী স্বাক্ষরিত প্রেরিত শিক্ষক কর্মচারীর তালিকায় দেখা যায়, তোফাজ্জল হক আনসারী হাজী জোবায়দা দাখিল মাদ্রাসার সুপার। কোনো প্রকার অভিজ্ঞতা ছাড়া সুপার তোফাজ্জল হক আনসারীসহ আরও কয়েকজনের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে এই মনগড়া স্ট্যাম্পিং প্যাটার্ন প্রেরণ করা হয়েছে। প্রতি বছর বেনবেইসে পাঠানো তালিকা সহ ইতিপূর্বে শিক্ষক কর্মচারীর কোনো তালিকায় সুপার হিসেবে তোফাজ্জল হক আনসারীর নাম ছিল না। যদি ইতিপূর্বে কোনো সুপার থাকতো তাহলে ভারপ্রাপ্ত সুপারের স্বাক্ষরে ৮ জনের তালিকা পাঠানো হতো না। যাকে সদ্য এমপিওভুক্ত হওয়া হাজী জোবায়দা দাখিল মাদ্রাসার সুপার দেখানো হয়েছে সেই তোফাজ্জল হক আনসারী এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান হাফিজপুর দাখিল মাদ্রাসার এমপিওভুক্ত সহকারী মৌলভী। তার ইনডেক্স নং ঘ২১০২১২৫, হাফিজপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে যিনি গত মাসেও বেতন উত্তোলন করেছেন সুপার হিসেবে তার স্বাক্ষরেই সম্প্রতি মহাপরিচালক বরাবর শিক্ষক কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির আবেদন করা হয়েছে। এমপিওভুক্ত একটা প্রতিষ্ঠানের একজন ইনডেক্সধারী সহকারী মৌলভী কিভাবে পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া বা কর্মরত মাদ্রাসা থেকে কোনো প্রকার অব্যাহতি না নিয়ে সুপার হিসেবে নিয়োগ পায় তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই ব্যক্তি কিভাবে দুটি প্রতিষ্ঠানে হাজিরা খাতায় নিয়মিত স্বাক্ষর করেন তা দূর্নীতি দমন কমিশনসহ শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য দাবি জানিয়েছেন এলাকার শিক্ষানুরাগী সচেতনমহল। এ ব্যাপারে শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফি উদ্দিনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি সিলেটের উপপরিচালক ( ডিডি) জাহাংগীর আহমেদ কবীরের কাছে দ্রুত অভিযোগ জানানোর পরামর্শ দেন। সিলেটের উপপরিচালক ( ডিডি) জাহাংগীর আহমেদ কবীরের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ওই সিন্ডিকেটের সাথে যে বা যারা জড়িত এবং অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান গুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে এ প্রতিনিধিকে আশ্বাস দিয়েছেন। এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুল্লার সাথে আলাপ কালে তিনি অভিযোগ গুলো নোট করে রাখেন এবং শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্যের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় জানান। হবিগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জিয়া উদ্দিন ও চুনারুঘাট উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শামসুল হকের সাথে এ প্রতিনিধির কথা হলে তারাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান গুলোতে এ ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে তারা আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে এ প্রতিনিধিকে আশ্বস্ত করেন। সদ্য এমপিওভুক্ত হওয়া হবিগঞ্জের ৮ টি মাদ্রাসার মধ্যে আরও যে ৭ টি মাদ্রাসায় দেদারসে কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য চলছে সেগুলো হল হবিগঞ্জ সদর উপজেলার দারুল হুদা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, নূরে মোহাম্মদিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা, চানপুর দাখিল মাদ্রাসা, শরীফাবাদ দাখিল মাদ্রাসা ও রিচি মোহাম্মদীয় সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা। বানিয়াচং উপজেলার বিএসডি মহিলা আলিম মাদ্রাসা, নবীগঞ্জ উপজেলার তাজিয়া মোবাশি^রিয়া দাখিল মাদ্রাসা। অনিয়ম দূর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের পুরাতন প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষকদের বেশ কয়েকজনকে স্ট্যাম্পিং প্যাটার্নে বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে নতুন লোক নেয়ায় পুরাতনদের অনেকেই মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নাম প্রকাশ না করা শর্তে মাদ্রাসার একাধিক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2020
Design & Developed BY SHAH RANA